পাহাড়ে মারামারি করে কখনো পার্বত্য চুক্তি বাস্তবায়ন সম্ভব নয় : বীর বাহাদুর

রাঙামাটির কাপ্তাইয়ে বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মকান্ডের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন পার্বত্য প্রতিমন্ত্রী বীর বাহাদুর উশেসিং এমপি
পাহাড়ে মারামারি করে কখনো পার্বত্য চুক্তি বাস্তবায়ন সম্ভব নয়। সেহেতু পার্বত্য চুক্তি বিষয়ে সবাইকে সচেতন হয়ে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করে যেতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রনালয়ের প্রতিমন্ত্রী বীর বাহাদুর উশেসিং এমপি।
আজ শনিবার সকালে পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের আওতায় রাঙামাটি পার্বত্য জেলাধীন কাপ্তাই উপজেলার ২ নং রাইখালী ইউনিয়নে বুদ্ধ শাসন রক্ষিত বৌদ্ধ বিহারে ধ্যান ঘর নির্মানের ভিত্তি প্রস্তর উদ্বোধন ও ও কাপ্তাই রাজস্থলী সড়ক হতে বড়খোলা পাড়ার অভ্যন্তরীণ সড়ক কাজের ভিত্তিপপ্রস্তর স্থাপন, বড়খোলা পাড়া কৃষক সমবায় সমিতিকে পাওয়ার টিলার প্রদানকালে ধর্মীয় অনুষ্ঠান সভাতে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
সকালে বুদ্ধমূর্তিদান, অষ্টপরিস্কার দানসহ নানাবিধ দানানুষ্ঠান শেষে বিহার কমিটির সভাপতি জয়সু মারমা সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রনালয়ের সাবেক প্রতিমন্ত্রী, বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের কেন্দ্রীয় সদস্য দীপংকর তালুকদার, রাঙামাটি পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের চেয়ারম্যান নব বিক্রম কিশোর ত্রিপুরা, রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের বৃষকেতু চাকমা, রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান চিংকিউ রোয়াজা উপস্থিত ছিলেন।
প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন, পার্বত্য এলাকার উন্নয়নের ধারাবাহিকতা অব্যাহত রাখতে ও আগামী জাতীয় নির্বাচনে শেখ হাসিনাকে ক্ষমতায় নৌকাতে ভোট দিতে হবে। পাহাড়ে উন্নয়নের একমাত্র শর্ত হচ্ছে আগামী সংসদ নির্বাচনে যোগ্য ব্যক্তিকে নিয়ে আসতে হবে। একজন যোগ্য ব্যক্তির নেতৃত্বে পুরো পার্বত্য চট্টগ্রামে উন্নয়ন সম্ভব। যোগ্য ব্যক্তি হিসেবে দীপংকর তালুকদারই হবে আগামীতে সবার পথপ্রদর্শক। ‘শিখর বাঁচিয়ে রাখতে না পারলে আমরা আর আগামীতে দাঁড়াতে পারবো না। রাঙামাটির সার্বিক উন্নয়নে ও সম্প্রতির রাঙামাটি বজায় রাখতে দীপংকর তালুকদার ছাড়া পাহাড়ে কোন বিকল্প নেই।
এছাড়া এমপি বীর বাহাদুর পার্বত্য চুক্তি বিষয়ে বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামে পার্বত্য চুক্তির যে কতগুলো ধারা এখনো অবাস্তবায়ন রয়েছে সেগুলো বাস্তবায়নের জন্য সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। মারামারি করে কখনো শান্তি প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয়। তিনি আরো বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামে কার অবদানে উন্নয়ন হচ্ছে সেগুলো ভুলে গেলে চলবে না। কেননা পার্বত্য চট্টগ্রামে উন্নয়নের চাবিকাঠি হচ্ছে জননেত্রী শেখ হাসিনা। সেহেতু আগামী নির্বাচনে যোগ্য ব্যক্তিকে মনোনিত করতে হবে এবং উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে হবে।
শনিবার পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের অর্থায়নে বাঙ্গালহালিয়া কলেজে ৫ কোটি ৩০ লক্ষ টাকা ব্যয়ে একাডেমিক ভবন, আইসিটি ভবন, সীমান প্রাচীর ও ছাত্রাবাসের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন উদ্বোধন করার পরে কাপ্তাই উপজেলার ২নং রাইখালি ইউনিয়নে রাঙামাটি-বান্দরবান সড়ক হতে বড়খোলা পাড়া পর্যন্ত রাস্তা নির্মাণ প্রকল্পেরও ভিত্তি প্রস্তর করেন প্রতিমন্ত্রী বীর বাহাদুর উশেসিং এমপি।

আরও পড়ুন
5 মন্তব্য
  1. হুছাইন মোহাম্মদ রবিন বলেছেন

    বাহ! অসাধারণ বলেছেন!

  2. Shuvo Chakma বলেছেন

    mara mari sathe chuktir somporko ki?sorkar mon chayle korte pare bastobayon.jara chukti mane na setlar ra tara to chaybe maramari.goto koyek mas jabot mara mari chilo na koy chukti bastobayon korse sorkar?sorkar kono din bastobayon korbe na 100 percent nissit.korle 20 bosorer bitore korto.ekon 200 bosore o r sorkar bastobayon korbe na.20 bosorere modde sob sonka logu bilupti hoye jabe kono ostitto r thakbe na

  3. Sachingpru Marma বলেছেন

    অতীব সত্য কথা,সংঘাত পরিহার করে আলোচনায় আসতে হবে।

  4. RJ Rahul বলেছেন

    শান্তি চুক্তি বাস্তবায়ন হলে কি সাধারণ মানুষ শান্তি পাবে??? আমি তো ১০০% আত্মবিশ্বাসের সাথে বলতে পারি,কখনোই শান্তি পাবে না। কেননা গরিবের কষ্টের টাকা বন্দুক টাকিয়ে হজম করাটা অত সহজ ব্যাপার নয়। এসব কাজের জন্য প্রকাশ্যে অভিশাপ দিতে হয় না,মনের মধ্যে আঘাত লাগলেই সেটা অভিশাপের চেয়েও মারাত্মক। আর গরিবের অভিশাপ প্রাপ্ত বলেই আজ অবধি কোনো উন্নতি করতে পারছেনা বরং আরো ধ্বংস হচ্ছে।

  5. Sakhwat Islam Rupasipara Lama বলেছেন

    সঠিক কথা

আপনার মন্তব্য লিখুন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশিত হবে না।