বান্দরবানের থানচি উপজেলায় রাজনৈতিক দল গণসংহতি আন্দোলন এর যাত্রা শুরু হয়েছে। যুব নেতা মংসাই মারমাকে আহবায়ক, সিনয়া ম্রোকে সাধারণ সম্পাদক করে ৪৫ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি ঘোষনা করেন বান্দরবান জেলা আহবায়ক মিজানুর রহমান (মিজান)।
আজ বৃহস্পতিবার (১০ এপ্রিল) গণসংহতি আন্দোলন থানচি উপজেলা শাখা ১ম কাউন্সিলের উদ্বোধনী সভায় গণসংহতি আন্দোলনের বান্দরবান জেলা নির্বাহী সমন্বয়কারী রিপন চক্রবর্তীসহ বক্তারা বলেন, ছাত্র-জনতা গনঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে ফ্যাসিবাদী শাসনের বিদায় হয়েছে, এখন ফ্যাসিস্ট ব্যবস্থা ও বিদায় করতে হবে। নাগরিক হিসেবে মানুষের মর্যাদা নিশ্চিত করতে হবে।

শেখ হাসিনার সরকার বাংলাদেশে সাড়ে ১৫ বছর ফ্যাসিবাদী শাসন জারি রেখেছিল। শেখ হাসিনার পরিবার ও তাদের দোসররা বাংলাদেশ থেকে অর্থ বিদেশে পাচার করেছে। ছাত্র-জনতা অভ্যুত্থানে ফ্যাসিবাদী শাসনের বিদায় হয়েছে, এখন ফ্যাসিস্ট–ব্যবস্থার বিদায় চায় বাংলার মানুষ। আজকের বাংলাদেশের লক্ষ্য বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়ে তোলা। এর জন্য দরকার নতুন রাজনৈতিক বন্দোবস্ত, দরকার রাষ্ট্রীয় সকল প্রতিষ্ঠানের আমূল সংস্কার।
থানচি উপজেলা গনসংহতির আন্দোলনের আহবায়ক মংসাই মারমা সভাপতিত্বে সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন সংবর্ধিত অতিথি জেলা পরিষদের সদস্য উবাথোয়াই মারমা, বান্দরবান জেলা গনসংহতির আন্দোলন যুগ্ন সমন্বয়কারী এ্যাড: উথোয়াইওয়াং মারমা (মিন্টু), যুগ্ন সমন্বয়কারী মোঃ আবুল কালাম, যুগ্ন নির্বাহী সমন্বয়কারী এ্যাড: উচাইমং মারমা, মংবোওয়াংচিং মারমা (অনুপম), গনসংহতির প্রচার সম্পাদক সুজস তংচগ্যা,থানচি শাখার সিংয়াং ম্রো, প্রদীপ ত্রিপুরা প্রমূখ।
থানচি উপজেলা গণসংহতির ১ম কেন্দ্রীয় উপজেলা কাউন্সিল অধিবেশন উদ্বোধন করেন, ছাত্র-জনতার বান্দরবান জেলা সমন্বয়কারী মোঃ নিজাম উদ্দিন (মিজান)। এর আগের গণশোভাযাত্রা, জাতীয় সংগীতের সঙ্গে জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে অনুষ্ঠান শুরু করা হয়।



