বান্দরবানে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থ ৫৬৩০ পরিবারকে স্বাস্থ্য সুরক্ষা ও খাদ্য সামগ্রী দেবে ওয়ার্ল্ড ভিশন
বান্দরবানে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থদের ৫৬৩০ পরিবারকে স্বাস্থ্য সুরক্ষা ও খাদ্য সামগ্রী দেবে ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ।
আজ ১৪অক্টোবর (বুধবার) সকালে বান্দরবান সদর উপজেলা পরিষদের সভাকক্ষে এক প্রকল্পের অবহিকরণ সভায় একথা নিশ্চিত করেন ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ এর বান্দরবান জেলা কার্যালয়ের সিনিয়র ম্যানেজার আশীষ কুমার হালদার।
এসময় তিনি বলেন, বান্দরবানে অতি সাম্প্রতিক সময়ে ঘটে যাওয়া বন্যায় ব্যাঁপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, আর বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থ ৫৬৩০ পরিবারকে স্বাস্থ্য সুরক্ষা ও খাদ্য সামগ্রী দেবে ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ।

তিনি আরো বলেন, ৮ সেপ্টেম্বর থেকে এই প্রকল্পের কাজ শুরু হয়েছে আর যা ১ডিসেম্বরের মধ্যে বাস্তবায়িত হবে। ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ, হিউম্যানিটেরিয়ান ফাউন্ডেশন এবং গ্রাউস এর বাস্তবায়নে হংকং গভর্নমেন্ট স্পেশাল এডমিনিস্ট্রেটিভ রিজিওন এর অর্থায়নে এই প্রকল্পে বান্দরবান এবং রোয়াংছড়ি উপজেলার বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থ ৫৬৩০ পরিবারকে তালিকাভুক্ত করা হয়েছে আর তাদের স্বাস্থ্য সুরক্ষা ও খাদ্য সামগ্রী দেয়া হবে।
প্রকল্পের আওতায় এবারের নির্বাচিত বান্দরবান পৌরসভায় ১৫৩০পরিবার, বান্দরবান সদর ইউনিয়নে ৭০০ পরিবার, কুহালং ইউনিয়নে ১০০০ পরিবার,জামছড়ি ইউনিয়নে ৫৫০ পরিবার,রাজবিলা ইউনিয়নে ২০০পরিবার, টংকাকতী ইউনিয়নে ২৫০ পরিবার, সুয়ালক ইউনিয়নে ৩০০ পরিবার এবং রোয়াংছড়ি উপজেলায় ১০০০ পরিবারকে স্বাস্থ্য সুরক্ষা ও খাদ্য সামগ্রী দেয়া হবে।
এসময় তিনি আরো বলেন, প্রতি পরিবারকে চাল, মশুর ডাল, তেল, চিড়া, লবন, চিনি এবং এর পাশাাপশি খাবার স্যালাইন, সাবান, পানির পাত্রসহ বিভিন্ন সুরক্ষা সামগ্রী দেয়া হবে।
এসময় সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মারুফা সুলতানা খান হীরামনি এর সভাপতিত্বে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক এস এম হাসান, পার্বত্য জেলা পরিষদের সদস্য লুসাই মং, সদর উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা সত্যজিৎ মজুমদার, সদর উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আশরাফুল আরেফিন,ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ এর বান্দরবান কার্যালয়ের সিনিয়র ম্যানেজার আশীষ কুমার হালদার, গ্রাম উন্নয়ন সংগঠন (গ্রাউস)এর উপ নির্বাহী পরিচালক চিন্ময় ম্রো, প্রোগ্রাম ম্যানেজার টুলু মারমা, কমিউনিটি ডেভলপমেন্ট অফিসার সোনিয়া আফরোজসহ বিভিন্ন ইউনিয়নের চেয়ারম্যান, পৌরসভার বিভিন্ন শাখার কর্মচারী এবং ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ, গ্রাম উন্নয়ন সংগঠন (গ্রাউস) এবং হিউম্যানিটেরিয়ান ফাউন্ডেশন এর বিভিন্ন কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।



