খাগড়াছড়ি সংসদীয় আসনে নিরঙ্কুশ বিজয় অর্জন করেছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) মনোনীত প্রার্থী আব্দুল ওয়াদুদ ভূঞা। ২০৩টি ভোটকেন্দ্রের অনানুষ্ঠানিক ফলাফল অনুযায়ী, তিনি তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বীর চেয়ে প্রায় দ্বিগুণ ভোট পেয়ে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। অন্যদিকে, নির্বাচনের ন্যূনতম ভোট পেতে ব্যর্থ হওয়ায় সাতজন প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে।
শীর্ষ প্রার্থীদের প্রাপ্ত ভোটের চিত্র
ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা যায়, ধানের শীষ প্রতীকে আব্দুল ওয়াদুদ ভূঞা পেয়েছেন ১ লাখ ৫১ হাজার ৪০ ভোট, যা মোট বৈধ ভোটের ৪৫.২৮%।

নির্বাচনী পরিসংখ্যান
এবারের নির্বাচনে ভোটারদের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতি লক্ষ করা গেছে। পরিসংখ্যান অনুযায়ী: মোট সংগৃহীত ভোট: ৩,৪৩,৫৫৯টি। বৈধ ভোট: ৩,৩৩,৪৭৯টি। বাতিলকৃত ভোট: ১০,০৮০টি। ভোটের হার: ৬২ শতাংশ।
জামানত বাজেয়াপ্তের খতিয়ান
নির্বাচনী আইন অনুযায়ী, কোনো প্রার্থীকে জামানত রক্ষা করতে হলে মোট বৈধ ভোটের অন্তত ১২.৫ শতাংশ (১/৮ অংশ) ভোট পেতে হয়। খাগড়াছড়ি আসনে জামানত রক্ষার জন্য ন্যূনতম ৪১,৬৮৫টি ভোটের প্রয়োজন ছিল। এই কোটা পূরণ করতে না পারায় নিচের ৭ প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে:
১. মো. কাউসার (ইসলামী আন্দোলন – হাতপাখা): ৩,০৮৯ ভোট (০.৯৩%)
২. উশ্যেপ্রু মারমা (মাইনরিটি জনতা পার্টি – রকেট): ১,০৩০ ভোট (০.৩১%)
৩. মিথিলা রোয়াজা (জাতীয় পার্টি – লাঙল): ১,০২৪ ভোট (০.৩১%)
৪. জিরুনা ত্রিপুরা (স্বতন্ত্র – কলস): ৯০৪ ভোট (০.২৭%)
৫. দীনময় রোয়াজা (গণঅধিকার পরিষদ -ট্রাক): ৭৫৫ ভোট (০.২৩%)
৬. মো. মোস্তফা (ইনসানিয়াত বিপ্লব -আপেল): ৬৮৩ ভোট (০.২০%)
৭. মো. নুর ইসলাম (মুসলিম লীগ – হারিকেন): ১৮৩ ভোট (০.০৫%)



