দীপংকর মহাথের’র রহস্যজনক মৃত্যুর ঘটনায় জড়িতদের শাস্তির দাবি

লামায় মানববন্ধন

আর্যগুহা ভাবনা কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক ও ধর্মীয় গুরু ড. এফ. দীপংকর মহাথের’র রহস্যজনক মৃত্যুর তথ্য উদ্ধাটন করে ঘটনার সাথে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবীতে মানববন্ধন করেছেন বান্দরবান জেলার লামা উপজেলার বৌদ্ধ ধর্মালম্বীরা।

আজ সোমবার দুপুরে উপজেলা পরিষদ সম্মুখ সড়কে বৌদ্ধ জনকল্যান সমিতি, পোয়াংপাড়া জেতবং বৌদ্ধ বিহার, আন্তর্জাতিক নির্বান মেডিটেশন সেন্টার, সংঘরাজ চীললংকার শীলমিত্র বৌদ্ধ বিহার ও সেবা সদন, তপোবন বিদর্শন ভাবনা কেন্দ্র, ভদ্রসেন পাড়া ধর্মরত্ন বৌদ্ধ বিহার, দরদরী সুনন্দ বৌদ্ধ বিহার উন্নয়ন ও সেবা কমিটি এবং বিলছড়ি ত্রিরত্নংকুর বৌদ্ধ বিহারের দায়ক দাযিকাদের যৌথ উদ্যোগে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

NewsDetails_03

লামা প্রেসক্লাবের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা প্রিয়দর্শী বড়ুয়ার সভাপতিত্বে ও আপন বড়ুয়ার সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে গজালিয়া ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বাথোয়াইচিং মার্মা, প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মো. কামরুজ্জামান, পৌর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি উজ্জল বড়ুয়া, লামা সদর ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য মানিক বড়ুয়া, বৌদ্ধ জনকল্যান সমিতির সহ-সভাপতি চিত্ত রঞ্জন বড়ুয়া, বমু বিলছড়ি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি রতন বড়ুয়া ও সাধারন সম্পাদক রোপন বড়ুয়া, লামা পৌর যুব লীগের যুগ্ন-সাধারন সম্পাদক প্রেমানন্দ বড়ুয়া প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।

এতে উপজেলার একটি পৌরসভা ও ৭টি ইউনিয়ন সহ কক্সবাজার জেলার চকরিয়া উপজেলার বমুবিলছড়ি ইউনিয়নের বৌদ্ধ বিহারের দুই শতাধিক বৌদ্ধ ধর্মালম্বী দায়ক দায়িকা অংশ গ্রহন করেন। আত্মহত্যা নয়, পরিকল্পিতভাবে ড. এফ. দীপংকর হত্যা করে লাশ ফাঁসির দড়িতে ঝুঁলিয়ে রাখা হয়েছিল। এত বড় একজন ধর্মীয় গুরু, কখনো আত্মহত্যা করতে পারেনা। তিনি সব সময জীব হত্যা মহাপাপ, আত্মহত্যা মহাপাপ বলে দায়ক দায়িকাদের দেশনা করতেন। তাই সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের প্রতি এ ঘটনার সুষ্ঠ তদন্তের মাধ্যমে আসল রহস্য উদঘাটন ও হত্যার ঘটনায় জড়িতদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তি দাবী জানান বৌদ্ধ উপস্থিত দায়ক দায়িকারা।

প্রসঙ্গত, গত ১৩ জুলাই রোয়াংছড়ি উপজেলার গোদারপাড় এলাকার ধুতরাঙ্গ বৌদ্ধ বিহারের অধ্যক্ষ ড. এফ. দীপংকর মহাথের’র ঝুলন্ত লাশ ও একটি চিরকুট উদ্ধার করে পুলিশ। তবে মহাথের’র পা মাটির সাথে লাগানো থাকায় এটি হত্যা, নাকি আতœহত্যা এনিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রশ্ন তুলেছেন বৌদ্ধ ধর্মালম্বীরাসহ অনেকে।

আরও পড়ুন