বান্দরবানে ২৬ ডিসেম্বর থেকে আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব

বসছে তারার হাট

বান্দরবানে ২৬ ডিসেম্বর থেকে শুরু হতে যাচ্ছে আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব। এর নাম ‘গ্লোবাল ইয়ুথ ফিল্ম ফেস্টিভাল বাংলাদেশ’। ‘লেটস সিনেমা’ স্লোগান নিয়ে এটি আয়োজন করছে জয় বাংলা ইয়ুথ পুরস্কারপ্রাপ্ত দেশের একমাত্র চলচ্চিত্র সংসদ- সিনেমা বাংলাদেশ। জানা যায়, উৎসবটি চলবে ২৬ থেকে ২৮ ডিসেম্বর পর্যন্ত। বিশ্ব চলচ্চিত্রের তরুণ নির্মাতাদের এই আসর বসবে শহরের ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর সাংস্কৃতিক ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে।

উৎসব কর্তৃপক্ষ জানায়, লক্ষ্মীপুর, রংপুর ও ময়মনসিংহের পর এটি তাদের চতুর্থ আসর। এর উদ্বোধন করবেন সিনেমা বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা নাট্যজন রামেন্দ্র মজুমদার।উৎসবের বিচারক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন চিত্রনির্মাতা মোরশেদুল ইসলাম, অভিনেত্রী ববিতা, নির্মাতা আবু সাইয়ীদ, নাট্যনির্দেশক-অভিনেত্রী ত্রপা মজুমদার, প্রযোজক-পরিচালক আরিফুর রহমান এবং কান চলচ্চিত্র উৎসবে বিচারকের দায়িত্ব পালন করা দেশের একমাত্র নারী ফিপরেসকি সদস্য সাদিয়া খালিদ।

উৎসবে দেশ-বিদেশের ৭৫টি চলচ্চিত্র প্রদর্শিত হবে। এর আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতা বিভাগে জমা পড়েছে ১০১ দেশের তরুণদের নির্মিত প্রায় ১৪০০ চলচ্চিত্র। এদের মধ্যে থেকে ২৮ ডিসেম্বর সমাপনী দিনে বিচারকের রায়ে পুরস্কারপ্রাপ্ত সেরা সাতটি চলচ্চিত্রের নাম ঘোষণা করা হবে।

এছাড়া উৎসবের অংশ হিসেবে অনুষ্ঠিত হবে একটি চলচ্চিত্র নির্মাণ কর্মশালা। পাশাপাশি সাম্প্রতিক সময়ের গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি চলচ্চিত্র প্রদর্শিত হবে আমন্ত্রিত চলচ্চিত্র বিভাগে। এতে মোরশেদুল ইসলামের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক চলচ্চিত্র আমার ‘বন্ধু রাশেদ’, গিয়াস উদ্দিন সেলিমের ‘স্বপ্নজাল’ এবং সম্প্রতি জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত পরিচালক তানিম রহমান অংশুর চলচ্চিত্র ‘ন ডরাই’ প্রদর্শিত হবে। এগুলো শেষে দর্শকের সাথে মতবিনিময় করবেন সংশ্লিষ্ট পরিচালক ও কলাকুশলীরা।

উৎসব প্রযোজক হেমন্ত সাদীক বলেন,উৎসবের দ্বিতীয় আসর থেকে ভারতীয় উপমহাদেশের চলচ্চিত্রের পথিকৃৎ হীরালাল সেনের নামে একটি পুরস্কারের প্রবর্তন করেছে গ্লোবাল ইয়ুথ ফিল্ম ফেস্টিভাল বাংলাদেশ। তাই এবার বাংলাদেশি তরুণদের শতাধিক চলচ্চিত্র জমা পড়েছে সংশ্লিষ্ট বিভাগটিতে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, করোনা পরিস্থিতির কারণে কোনও বিদেশি নির্মাতাকে শারীরিকভাবে উৎসবে উপস্থিত হওয়ার আমন্ত্রণ জানানো হচ্ছে না। তবে তারা বিশ্বের নানা প্রান্ত থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে যুক্ত হবেন। সিনেমা হলগুলোর জন্য প্রদত্ত রাষ্ট্রীয় নির্দেশনা অনুসরণ করে দর্শকের আসন বিন্যাস করা হবে। পুরো আয়োজনটিই স্বাস্থ্যবিধি মেনে অনুষ্ঠিত হবে। আর উৎসবটি সবার জন্য উন্মুক্ত থাকলেও মাত্র ২০০জন অতিথি অনুষ্ঠান উপভোগ করতে পারবে।

আরও পড়ুন
আপনার মন্তব্য লিখুন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশিত হবে না।