এপেক্স ক্লাব অব বান্দরবান এর উদ্যোগে হাসপাতালে খাবার বিতরণ
দেশব্যাপী মানবসেবামূলক কার্যক্রমের ধারাবাহিকতায় আন্তর্জাতিক সেবামূলক সংগঠন এপেক্স বাংলাদেশ-এর আওতাধীন আজ ১ আগস্ট ২০২৬ (শনিবার) বান্দরবান সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রোগী ও তাঁদের সঙ্গে থাকা অ্যাটেনডেন্টদের মাঝে দুপুরের খাবার বিতরণ করা হয়েছে।
বান্দরবানের দুর্গম থানচি, রুমা, আলীকদম ও রোয়াংছড়িসহ বিভিন্ন উপজেলা থেকে চিকিৎসার জন্য আসা হাম, ম্যালেরিয়া, ডেঙ্গুসহ বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত রোগী ও তাঁদের স্বজনদের এ খাদ্য সহায়তা প্রদান করা হয়।
খাদ্য বিতরণ কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন করেন বান্দরবান-৩০০ আসনের সংসদ সদস্য সাচিং প্রু জেরি। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন এপেক্স বাংলাদেশের জাতীয় সহ-সভাপতি এপেক্সিয়ান মো: নুরুল আমিন চৌধুরী আরমান, জাতীয় আন্তর্জাতিক সম্পর্ক পরিচালক (NIRD) এপেক্সিয়ান কামাল পাশা, এপেক্স ক্লাব অব বান্দরবানের সভাপতি এপেক্সিয়ান ইঞ্জিনিয়ার রুই প্রু মারমা, পিপি এপে.নিনি প্রু,সেক্রেটারি এপেক্সিয়ান মাসংচিং মারমা, ট্রেজারার এপেক্সিয়ান মো. ইকবাল হোসেন, অতীত সভাপতি এপেক্সিয়ান মোজাম্মেল হক, এপেক্স ক্লাব অব সাঙ্গুর পরিচালক এপেক্সিয়ান সাইফুল ইসলাম, এপেক্স ক্লাব অব নীলাচলের প্রেসিডেন্ট এপেক্সিয়ান মং ওয়াইচিং এবং বান্দরবান প্রেস ক্লাবের সাবেক সভাপতি ওসমান গনীসহ বিভিন্ন ক্লাবের এপেক্সিয়ান ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

উদ্বোধনী বক্তব্যে সংসদ সদস্য সাচিং প্রু জেরি বলেন, দুর্গম পাহাড়ি অঞ্চল থেকে চিকিৎসার জন্য আসা রোগীদের পাশে দাঁড়ানো একটি মানবিক দায়িত্ব। সরকারি সেবার পাশাপাশি সামাজিক ও আন্তর্জাতিক সেবামূলক সংগঠনগুলো এভাবে এগিয়ে এলে সাধারণ মানুষের কষ্ট অনেকটাই দুর হয়। তিনি এপেক্স বাংলাদেশের মানবিক উদ্যোগের ভূয়সী প্রশংসা করেন এবং ভবিষ্যতেও এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান।
এপেক্স বাংলাদেশের জাতীয় সহ-সভাপতি এপেক্সিয়ান মো: নুরুল আমিন চৌধুরী আরমান বলেন, এপেক্স বাংলাদেশের মূল দর্শন হলো Service, Citizenship and Fellowship। দেশের প্রতিটি অঞ্চলে, বিশেষ করে দুর্গম পাহাড়ি এলাকার অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়ানোই এপেক্সের অঙ্গীকার।
তিনি বলেন, মানুষের মুখে হাসি ফোটানোই এপেক্সিয়ানদের সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি এবং ভবিষ্যতেও দেশব্যাপী এ ধরনের মানবিক সেবা কার্যক্রম আরও বিস্তৃত করা হবে।
অনুষ্ঠান শেষে বান্দরবান সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রোগী ও তাঁদের সঙ্গে থাকা অ্যাটেনডেন্টদের মাঝে দুপুরের খাবার বিতরণ করা হয়।


