জলকেলিতে মাতোয়ারা রোয়াংছড়ির মারমা সম্প্রদায়
বান্দরবানের রোয়াংছড়িতে পুরাতন বছরকে বিদায় ও নতুন বছরকে বরণ করতে নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে উৎসবে মেতেছে মারমা সম্প্রদায়। আর এই জলকেলিতে পর্যটকদের ঢল নেমেছে। এই প্রাণের উৎসবের তৃতীয় দিন বুধবার (১৬ এপ্রিল ২৬) বিকাল ৫টা দিকে রোয়াংছড়ি সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত জাঁকজমক পূর্ণভাবে উদযাপিত হচ্ছে মারমা সম্প্রদায়ের ঐতিহ্যবাহী মহা সাংগ্রাই পোয়ে:।
সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল ২৬) সকালে বর্ণাঢ্য মঙ্গল শোভাযাত্রার মধ্য দিয়ে শুরু হয় এই উৎসবের আনুষ্ঠানিকতা। সাংগ্রাই পোয়ে: উৎসব শুরুতে ঐতিহ্যবাহী পোশাকে সজ্জিত তরুণ-তরুণীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নিয়ে উসারা লাইব্রেরী মাঠ প্রাঙ্গণ থেকে বের হয়ে শোভাযাত্রাটি রোয়াংছড়ি বাজারে প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে ফের স্থানে এসে শেষ হয়।

চসিংঅং মারমা সঞ্চালনয় সাংগ্রাই উৎসব উদযাপন কমিটি সভাপতি অংশৈচিং মারমা সভাপতিত্বে তৃতীয় দিনে উৎসবের সবচেয়ে আকর্ষণ জলকেলি অনুষ্ঠানে আঞ্চলিক পরিষদ সদস্য কে.এস.মং মারমা প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত থেকে অনুষ্ঠানটি উদ্বোধন করেন।
এসময় উপস্থিত ছিলেন, বান্দরবান জেলা পরিষদে সদস্য এ্যাড. মাধবী মারমা, রোয়াংছড়ি সাব-জোন কমান্ডার মোহাম্মদ সৈয়ক রবিউল ইসলাম, উপজেলা নির্বাহী অফিসার তাজমিন আলম তুলি, রোয়াংছড়ি থানা অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ হুমাহূন কবীর, ১নং রোয়াংছড়ি ইউপি চেয়ারম্যান মেহ্লাঅং মারমা, বিএনপি নেতার চনুমং মারমা ও ক্যসাইনু মারমা। উদ্বোধনী শেষে আনন্দর মাতোয়ারা মধ্য দিয়ে সকল দু:খ-গøানি মুছে যাক, সবখানে নবপ্রাণ ফিরে পাক -স্লোগানে এ পানি উৎসবে তরুণ-তরুণীরা জলকেলির আনন্দে মেতে উঠে।
এদিকে সাংগ্রাইসহ বৈসাবি উৎসবকে ঘিরে রোয়াংছড়িতে বেড়েছে পর্যটকদের আনাগোনা। এই পানি উৎসবের মাধ্যমে মারমা সম্প্রদায়ের ধর্মীয় সাংগ্রাই ও সামাজিক উৎসবের সম্প্রীতির মিলনমেলা সমাপনী ঘটে।



