টানা বর্ষণে থানচির ২ ইউনিয়নের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন
ভ্রমণের ওপর সাময়িক নিষেধাজ্ঞা জারি
টানা চার দিনের ভারী বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে সাঙ্গু নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় বান্দরবানের থানচি উপজেলা সদর থেকে দুর্গম তিন্দু ও রেমাক্রী ইউনিয়নের সঙ্গে নৌযোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। একই সঙ্গে বৈরী আবহাওয়া ও সার্বিক নিরাপত্তা বিবেচনায় পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত উপজেলার সব পর্যটনকেন্দ্রে ভ্রমণের ওপর সাময়িক নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে উপজেলা প্রশাসন।
আজ সোমবার ০৬ জুলাই সকাল থেকে সাঙ্গু নদীতে তীব্র স্রোত ও পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় নৌযান চলাচল বন্ধ রয়েছে। ফলে তিন্দু ও রেমাক্রী ইউনিয়নের বাসিন্দারা উপজেলা সদরে যাতায়াত করতে পারছেন না।
উপজেলা প্রশাসনিক কর্মকর্তা ইউএনও মোহাম্মদ আবদুল্লাহ আল ফয়সাল জানিয়েছে, টানা বর্ষেনে সাঙ্গু নদীতে তীব্র স্রোত, পাহাড়ধসের ঝুঁকি এবং বৈরী আবহাওয়ার কারণে থানচির সব পর্যটনকেন্দ্রে ভ্রমণ থেকে বিরত থাকতে হবে।
পর্যটক ও স্থানীয় বাসিন্দাদের অপ্রয়োজনে নৌপথ ও পাহাড়ি এলাকায় যাতায়াত না করারও অনুরোধ জানানো হয়েছে।

প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আবহাওয়ার উন্নতি এবং ঝুঁকি কেটে গেলে পর্যটনকেন্দ্রগুলো পুনরায় ভ্রমণের জন্য উন্মুক্ত করা হবে।
তিন্দু ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ভাগ্য চন্দ্র ত্রিপুরা জানান, সোমবার সকালে ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য খ্যাইসাপ্রু মারমা এবং ৯ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য এ্যান্ড্রিয় ত্রিপুরা মুঠোফোনে জানিয়েছেন, নদীর পানি বৃদ্ধি ও তীব্র স্রোতের কারণে থানচি সদরের সঙ্গে সব ধরনের নৌযোগাযোগ বন্ধ হয়ে গেছে।
এদিকে টানা বৃষ্টির কারণে থানচি–বান্দরবান সড়কের নীলগিরি এলাকায় পাহাড়ধসের ঘটনা ঘটে। পরে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা দ্রুত ধসে পড়া মাটি অপসারণ করে সড়কটি চলাচলের উপযোগী করেন।
প্রসঙ্গত, বান্দরবানের সাঙ্গু ও লামা মাতামুহুরি নদীতে পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় বন্যার আশংকা দেখা দিয়েছে, আলীকদম -লামা সড়কের রেপারপাড়ী এবং শীবাতলির রাস্তা তলিয়ে গেছে পানির নিচে, ফলে চরম দুর্ভোগে সাধারণ মানুষ।



