আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে পাহাড় ঘেরা পার্বত্য বান্দরবান ৩০০নং আসনে চারজন প্রার্থী নির্বাচনি প্রচার প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছে।
নির্বাচনি তফশিল ঘোষণার পর দেশের অন্যান্য জেলার মতো বান্দরবান পার্বত্য জেলাতেও ছড়িয়ে পড়েছে নির্বাচনি আমেজ। পাহাড়, বন ও নদী বেষ্টিত এই পর্যটন জেলা বরাবরই বহু সংস্কৃতির সম্প্রীতির জনপদ হিসেবে পরিচিত। বাঙালিসহ ১২টি জনগোষ্ঠীর সহাবস্থানে গড়ে ওঠা এই জেলায় এবারের নির্বাচন ঘিরে ভোটারদের মধ্যে দেখা যাচ্ছে বাড়তি আগ্রহ ও প্রত্যাশা।

এবারের নির্বাচন বান্দরবানে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল(বিএনপি) এর প্রার্থী সাচিং প্রু জেরী, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এর প্রার্থী মো.আবুল কালাম আজাদ, জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)এর প্রার্থী আবু সাঈদ মো.সুজাউদ্দীন এবং জাতীয় পার্টির প্রার্থী আবু জাফর মোহাম্মদ ওয়ালী উল্লাহ তাদের নিজ নিজ পক্ষে বিভিন্ন উপজেলায় প্রচারণা চালাচ্ছে এবং দুর্গম পাহাড়ের বিভিন্ন গ্রামে গ্রামে গিয়ে ভোটারদের কাছে ভোট প্রত্যাশার পাশাপাশি নানাধরণের প্রতিশ্রæতি প্রদান করছে।
জেলার একমাত্র একটি সংসদীয় আসনে এবার মোট ভোটার সংখ্যা ৩ লাখ ১৫ হাজার ৪২২ জন, এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ১ লাখ ৬১ হাজার ৭৭৫ জন এবং নারী ভোটার ১লাখ ৫৩ হাজার ৬৪৭ জন। ৭টি উপজেলা, ২টি পৌরসভা এবং ৩৪টি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত বান্দরবান এই আসনে মোট ভোটকেন্দ্র ১৮৬টি। ১৯৯১ সাল থেকে দীর্ঘদিন ধরে এই আসনটি আওয়ামী লীগের দখলে থাকলেও,২০২৪ সালের জুলাই আন্দোলনের পর দেশের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের প্রেক্ষাপটে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে এবার নতুন প্রার্থী আর ভোটারদের মধ্যে উৎসাহ আর আমেজ বেড়েছে কয়েকগুণ।
এদিকে জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষ্যে নির্বাচনী আইন প্রতিপালনে বান্দরবানে ৭জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট গত ১২ ডিসেম্বর থেকে দায়িত্ব পালন শুরু করছেন, যদিও এখনো নির্বাচনকে ঘিরে বান্দরবানে অপ্রত্যাশিত কোন ঘটনার সৃষ্টি হয়নি।



