ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে তিন পার্বত্য জেলা থেকে আলোচনায় আসা বিএনপি থেকে মনোনয়ন পাওয়া মাধবী মার্মা’র দাখিল করা হলফনামায় বিপুল পরিমাণ স্বর্ণের তথ্য উঠে এসেছে।
মাধবী ১৯৭৭ সালের ২ মার্চ জন্মগ্রহন করেন, তিনি পেশায় একজন আইনজীবি। তার শিক্ষাগত যোগ্যতা এল এল এম। দুই কন্যা সন্তানের জননী মাধবী মার্মার স্বামী বেসরকারি চাকরিজীবী।

নির্বাচনী হলফনামার তথ্য অনুযায়ী, মাধবী মার্মার নগদ টাকা আছে ৫২,১৩২ টাকা, সোনালী ব্যাংকে আছে ১৪ লাখ ৫৫ হাজার ৫৮ টাকা, অগ্রণী ব্যাংকে আছে ৪ হাজার ৯১০টাকা, একই ব্যাংকে ডিপিএস আছে ৭১ হাজার ৯৮৪ টাকা, ট্রাস্ট ব্যাংকে আছে ৬১ হাজার ৮৮১টাকা, একই ব্যাংকে ডিপিএস আছে ৩ লাখ ২১ হাজার ২৩২ টাকা। স্বর্ণ আছে ২০ ভরি, বাসায় ইলেক্ট্রনিক সামগ্রী আছে ১ লাখ ৫০ হাজার টাকার। অর্জনকালীন মোট মূল্য ২১ লাখ ১৭ হাজার ১৯৭ টাকা। স্থাবর সম্পদ, দায় ও সরকারি পাওনা নেই।
মাধবী মার্মা ২০০৯ থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে সহকারী আইন কর্মকর্তা (এপিপি) ছিলেন এবং অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে তিনি পার্বত্য জেলা পরিষদের সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। বিএনপির কোন পদে না থেকেও দলটির মনোনয়ন পাওয়ায় নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভ দেখা যায়।
উল্লেখ্য, বান্দরবান,রাঙামাটি ও খাগড়াছড়ি তিন পার্বত্য জেলা থেকে ৪ জন করে মোট ১২ জন বিএনপির দলীয় মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করলেও শেষ পর্যন্ত সদ্য বিএনপিতে যোগ দেওয়া মাধবী মার্মাকে দলীয় মনোনয়ন দেওয়া হয়।



